স্থানীয় সরকারের পৌর প্রশাসনকে শক্তিশালী ও গতিশীল করার জন্য চেতণার উন্মেষ ঘটানোর প্রচেষ্টা

পৌরসভা আইন সংশোধন


প্রণীতব্য স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এ

প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনয়ন সমীচিন বলে পৌর সচিবগন মনে করেন

বাংলাদেশের শহর এলাকা সমূহের গুরুত্বপূর্ন প্রশাসনিক একাংশ [Administrative Unit] পৌরসভা অধিক্ষেত্রে পৌর প্রশাসন পরিচালনার কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা ধাপের সার্বক্ষনিক নির্বাহী পদটি হলো ‘সচিব’। এ পদটি বরাবরই আইন দ্বারা সুনির্দিষ্টকৃত। সেভাবেই পৌরসভা অধ্যাদেশ, ১৯৭৭ (অধ্যাদেশ নং-২৬, ১৯৭৭) এর ৪১(১) নং ধারায় পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারী-ভাগে বর্নিত রয়েছেঃ

৪১.(১) The specified authority may, on the prescribed terms and conditions, appoint a secretary and one or more principal officers for a Paurashava who shall perform such functions as are assigned to them in relation to such Paurashava by or under this ordinance.”

কিন্তু বিগত ১৯৮৮ সালে তৎকালীন কথিত স্বৈর-শাসনামলে পৌরসভা অধ্যাদেশ, ১৯৭৭ এর ৪০ নং ধারার সাথে সাংঘর্ষিক ৪২ নং ধারাটি অন্তর্ভূক্তি দ্বারা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদ সৃষ্টি করায় এবং পরবর্তীতে ১৯৯৪ ও ২০০২ খ্রিঃ সালে ‘সচিব’ পদের অধঃস্তন বিভিন্ন শাখা প্রধানের (যেমন-হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা, উপ-সহকারী প্রকৌশলী) পদমর্যাদা ও বেতনক্রম উন্নীত করায় এবং তদপ্রেক্ষীতে ‘সচিব’ পদের পদমর্যাদা ও বেতনক্রমের মান প্রচলিত আইন ও বিধি মোতাবেক সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে পুনঃনির্ধারন না করায় কার্যতঃ এ পদের গুরুত্ব ও মর্যাদা অস্বাভাবিকভাবে অবনমিত হয়েছে। তাতে পৌর প্রশাসনে অবাঞ্চিত বিশৃংখল পরিস্থিতির উদ্ভব হয়ে তা দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা, রীতি অনুপালন ও প্রশাসনিক উন্নয়নের পথে সুস্পষ্ট প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। মেধাবীরা এ পদে চাকুরী ছেড়ে চলে যাচ্ছে।

স্বয়ংসম্পূর্ণ পৌরসভা চাকুরী কাঠামোয় ‘প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা’ পদটি যুক্ত করে ভিন্ন সার্ভিসের জনবল দ্বারা তা পূরণ করার বিধান রাখায় পৌরসভার চাকুরীতে ‘সচিব’ পদের আইনগত স্বত্ব, মর্যাদা ও গুরুত্ব চরমভাবে খর্ব হয়েছে। বাস্তবে পৌরসভার ন্যায় এত ক্ষুদ্র অধিক্ষেত্রের চাকুরী কাঠামোয় একই প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্যের ‘সচিব’ ও ‘প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা’-এ দুটো পদ একসাথে রাখার কোন যৌক্তিকতা বা প্রয়োজন আছে কি না-তা ভালো করে ভেবে দেখা দরকার। পৌর পরিষদের প্রধান ‘মেয়র’ যেখানে দাপ্তরিক কাঠামোয় নিজেই ‘প্রধান নির্বাহী’ সেখানে একই কাঠামোয় তার বর্তমানে অধীনস্থ ‘প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা’ পদের ধারণা অস্বাভাবিক ও অমূলক।

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সংস্কার কর্মসূচীর আওতায় গঠিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান গতিশীল ও শক্তিশালী করন কমিটি প্রণীত প্রতিবেদনে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) অধ্যাদেশের খসড়া প্রস্তাবদৃষ্টে কমপক্ষে ১৬-টি স্থানে সচিব পদের নাম উল্লেখ করা হলেও এ পদের সংজ্ঞা প্রদত্ত হয়নি। তথাপি পৌরসভা প্রশাসনের কর্মকান্ড পরিচালনায় এ পদটির গুরুত্ব স্বীকৃত হয়েছে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর উপস্থিতি “প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা/সচিব” -আকারে উপস্থাপন করা হয়েছে। যেমন, উক্ত খসড়া প্রস্তাবের একটি ধারা নিম্নরূপঃ
“ধারা-৪২। পৌর প্রশাসনের গঠন।
(১) এই অধ্যাদেশসহ পৌরসভা সংক্রান্ত অন্যান্য আইনের প্রাথমিক ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য পৌর প্রশাসন হইবে নিম্নরূপঃ
(ক) পৌর পরিষদ;
(খ) পৌর মেয়র বা তার দায়িত্ব পালনকারী অন্য কোন কাউন্সিলর;
(গ) স্থায়ী কমিটি;
(ঘ) ওয়ার্ড কমিটি;
(ঙ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা/সচিব ও অন্যান্য কর্মকর্তা/কর্মচারী।”

পৌর প্রশাসনে নির্বাহী কর্তব্য সম্পাদনে কর্মকর্তা ধাপে “প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা/সচিব”-আকারে পদবী সংস্থাপনের ক্ষেত্রে বাস্তবতা ও যৌক্তিকতাগুলো নিম্নরূপঃ

(ক) পৌরসভার চাকুরী কাঠামোতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে ভিন্ন সার্ভিসের কর্মকর্তা প্রেষনে (On Deputation) নিয়োগ করা হয় (Secondment Posting)। বিশেষ বা জরুরী পরিস্থিতি ছাড়া স্বাভাবিক প্রয়োজনে সাধারনত এরূপ প্রেষনে নিয়োগ করা হয় না বা এর বাধ্যবাধকতা নেই। ভিন্ন সার্ভিসের কর্মকর্তা দ্বারা পৌরসভা সার্ভিসের নিয়মিত কোন পদে এরূপ পদায়ন স্বাভাবিক প্রকৃয়া হতে পারে না।

(খ) পৌরসভার আর্থিক সামর্থ্য ও অন্যবিধ কারনে ১০% পৌরসভাতেও এরূপ পদায়ন করা সম্ভব হয় না। মূলতঃ সচিবগনকেই বাকি ৯০% পৌরসভায় উক্ত পদের দায়িত্ব পালন তথা এ পদের যাবতীয় কার্যাদি সম্পাদন করতে হয়।

(গ) কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশাসন ক্যাডারের সদস্যগন প্রেষনে পৌরসভার এ পদে কাজ করতে অনীহ বা সংগত কারনেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না।

(ঘ) পৌর প্রশাসনের আইন, বিধি-বিধান ও নির্দেশাবলী সমূহের ধারাবাহিক চর্চা এবং বাস্তবিক প্রয়োগে অভিজ্ঞ পৌর সচিবগনই এ কাজের জন্য অপেক্ষাকৃত উপযোগী।

(ঙ) তদুপরি যদি কোন বিশেষ পরিস্থিতিতে বা বাস্তবিক প্রয়োজনেই কোন পৌরসভার অনুরুপ কোন পদে ভিন্ন সার্ভিস হতে প্রেষনে কর্মকর্তা নিয়োগের সাময়িক দরকার হয় তাহলে সরকারের অন্যান্য দপ্তর, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের ন্যায় পৌরসভাতেও তা করা যাবে। একটি সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের স্বয়ংসম্পূর্ণ চাকুরী কাঠামোয় প্রেষনে নিয়োগের (Secondment Posting) জন্য কোন আলাদা স্থায়ী পদ (Earmarked Post) সংরক্ষিত থাকতে পারে না। এখানে ক্যাডার সার্ভিসভুক্ত কোন কর্মকর্তা নিয়োগের প্রয়োজন অনুভূত হলে ”স্থানীয় সরকার ক্যাডার সার্ভিস” প্রবর্তন দ্বারা তা সম্পন্ন করা যুক্তিযুক্ত ও সমীচীন হবে।

(চ) রাষ্ট্রের কার্য পরিচালনায় সাংবিধানিক প্রশাসনিক একাংশ [Administrative Unit] হিসেবে পৌর প্রতিষ্ঠানগুলো সংবিধানের ৫৯ ও ৬০ নং ধারা বলে স্থানীয় শাসন তথা প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য, জনশৃংখলা রক্ষা, জনসাধারনের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রনয়ন ও বাস্তবায়ন এবং এতদুদ্দেশ্যে করারোপ, বাজেট প্রনয়ন ও নিজস্ব তহবিল রক্ষণাবেক্ষনের দায়িত্ব পালনের জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত। এসকল প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত জন-প্রতিনিধিগনের পাশাপাশি সাচিবিক দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োজিত ‘সচিব’- পদটি প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্যে একটি ‘সর্বস্তনিক পদ’। সরকারের Rules for Allocation and Transaction of Business এর আলোকে একটি প্রশাসনিক একাংশের চাকুরী কাঠামোয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ধাপের অন্যান্য সকল পদই সচিব পদের অধীনস্থ ও নিয়ন্ত্রণাধীন থাকা স্বাভাবিক। পৌর সার্ভিসের সকল স্তরের কর্মচারীগণেরও এটা দাবী।

(ছ) সংবিধান অনুযায়ী পৌর প্রতিষ্ঠানগুলো জনকল্যাণ ও সেবামূলক রাষ্ট্রীয় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠান গঠন ও পরিচালনার বিষয়টি মুনাফা প্রত্যাশী ও বিনিয়োগ নির্ভর কোম্পানী বা করপোরেট ধারনার সাথে গুলিয়ে ফেলা সংবিধান সম্মত নয়। সুতরাং পৌরসভা সার্ভিসে ‘সচিব’ পদটি ‘কোম্পনী সচিব’-তুল্য জ্ঞান করে নিম্নে ঠেলে দিয়ে তদস্থলে ‘প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা’ পদ সৃষ্টি করে ভিন্ন সার্ভিসের জনবল দ্বারা তা পূরণ করা সাংঘর্ষিক, বিভ্রান্তিমূলক, অধিকার বঞ্চনা, ক্ষতিকর ও অস্বাভাবিক।

(জ) উন্নত প্রশিক্ষন ও উপযুক্ত সমর্থন দ্বারা ‘সচিব’ পদটি ‘প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা’ পদের স্থলাভিসিক্ত করা সম্ভব এবং অধিকতর যুক্তিযুক্ত। এ নিরীখেই প্রস্তাবিত স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) অধ্যাদেশ, ২০০৮ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ড্রাফটিং উইংয়ের পরীক্ষান্তে সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদনের (অনুমোদিত অধ্যাদেশের কপি এখনো স্থানীয় সরকার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশনের ওয়েব সাইটে বিদ্যমান আছে) পর উক্ত অধ্যাদেশের ২(৪২) নং ধারায় ‘সচিব’ পদটি এভাবে সংজ্ঞায়িত ছিল-

“(৪২) ‘প্রধান নির্বাহী কর্মকতা’ অর্থ পৌরসভার সচিব, যিনি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে বিবেচিত হইবেন।”

(ঝ) উল্লেখ্য যে, এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক গঠিত ঈটখএ সাব-কমিটিও তাদের ২০০৬ সালের রিভিউ প্রতিবেদনে পৌরসভা অধ্যাদেশ, ১৯৭৭ এর ৪২ নং ধারা রহিত করে ‘প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা’ পদটি ‘সচিব’ পদ দ্বারা প্রতিস্থাপনের প্রস্তাব করেন।

অপরদিকে, চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত এ স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) অধ্যাদেশ, ২০০৮- এ পরবর্তীতে প্রশ্নবিদ্ধ কিছু পরিবর্তন এনে তা মূদ্রন সম্পন্ন করে জারী করা হয়! তাতে অধ্যাদেশের উক্ত ২(৪২) নং ধারাটি এভাবে পরিবর্তন করা হয়ঃ

“(৪২) ‘প্রধান নির্বাহী কর্মকতা’ অর্থ পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা;”

উল্লেখ্য যে, জারীকৃত অধ্যাদেশে মাত্র ২টি অতি সাধারন কর্তব্যক্ষেত্রে ‘সচিব’ শব্দটি উল্লেখ রয়েছে এবং ২(৪২) নং ধারার সংজ্ঞা হতে সচিব পদটি বাদ দেয়া হয়েছে। আরো লক্ষ্যনীয় যে, জারীকৃত অধ্যাদেশের ৩৪ নং ও ১১৭(২) (খ) নং ধারায় ‘সচিব’ পদটির কথা উল্লেখ থাকলেও অধ্যাদেশে এ পদের সংজ্ঞা না থাকায় ‘সচিব’ বলতে কোন ধরনের সচিব-কে বুঝাবে, তা স্পষ্টীকৃত হয়নি। সরকারের চুড়ান্ত অনুমোদনের পর অধ্যাদেশের এরূপ পরিবর্তেনর ঘটনায় পৌর সচিবগন উদ্বিগ্ন।

উপরের বর্ননায় প্রতিফলিত বিষয়বস্তু এবং গোষ্ঠী স্বার্থের অনুকূলে পুর্বাপর বহু ষড়যন্ত্রমুলক দৃষ্টান্ত পৌরসভায় কর্মরত সচিবগনকে মর্মপীড়ায় দহন করেছে। স্বীয় পদের মর্যাদা, গুরুত্ব ও অধিকার বঞ্চনার শিকার হযে পৌর সচিবগনের মেধা, মন ও মননে কর্মক্ষেত্রে নেতিবাচক ও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে এবং কর্মস্পৃহা লোপ পাচ্ছে- যা জাতির জন্য কোন ভাবেই কাম্য বা মঙ্গলজনক নয়। সংবিধানে বিধৃত রাষ্ট্রীয় কাঠোমোয় প্রশাসনিক একাংশে জনগনের তথা সরকারের কার্যাদি পরিচালনায় আইন দ্বারা সুনির্দিষ্টকৃত ‘সচিব’ পদের সংজ্ঞা, প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদা যথাযথ ও সাবলিলভাবে সুরক্ষা না করে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে পৌরসভার ‘সচিব’ পদটি অকার্যকর বা অবলুপ্ত হতে যাচ্ছে- মনে করার যথেষ্ট কারণ ও লক্ষন পরিদৃষ্ট হওয়ায় জারীকৃত অধ্যাদেশে এ প্রসংগে জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনয়ন করা সমীচিন বলে পৌর সচিবগন মনে করেন।

বর্তমান নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে জারীকৃত পৌরসভা অধ্যাদেশটি নতুন করে জাতীয় সংসদের মধ্যমে বিল পাশ করে আইন আকারে তা জারীর পদক্ষেপ গ্রহন করায় পৌর সচিবগন আশান্বিত হয়েছেন।

উদভুত পরিস্থিতিতে পৌর সচিবগনের মতামতের ভিত্তিতে জারীকৃত স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) অধ্যাদেশ, ২০০৮-এর স্থলে প্রণীতব্য আইনে নিম্নোক্ত সংশোধনী আনয়নের ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

সংশোধনী প্রস্তাবঃ

জারীকৃত অধ্যাদেশের (২০০৮ সনের) বিদ্যমান ধারা ও বিষয়বস্তু:

ধারা-২(৪২):
“প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অর্থ পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা;”
ধারা-৪৯(১)(ঙ):
“প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী।”

প্রতিস্থাপনের নিমিত্তে প্রস্তাবিত (সংশোধিত) ধারা ও বিষয়বস্তু:

ধারা-২(৪২):
“প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অর্থ পৌরসভার সচিব, যিনি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে বিবেচিত হইবেন;”
-অথবা-
ধারা-২(৪২):
“(ক) ‘প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা’ অর্থ পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ;
(খ) ‘সচিব’ অর্থ পৌরসভার সচিব;
(গ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদ শূন্য থাকিলে ‘সচিব’ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে বিবেচিত হইবেন;”

ধারা-৪৯(১)(ঙ):
“প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা /সচিব এবং অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী।”

——————————————————————

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

w

Connecting to %s

%d bloggers like this: