স্থানীয় সরকারের পৌর প্রশাসনকে শক্তিশালী ও গতিশীল করার জন্য চেতণার উন্মেষ ঘটানোর প্রচেষ্টা

পৌরপ্রশাসনে এত ষড়যন্ত্র!


গভীর চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র ও অবৈধ প্রভাবের দ্বারা পৌরসভা প্রকৌশলীদের
জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার দাবীদার বনে যাওয়ার ইতিকথা!!

পৌরসভা অধিক্ষেত্রে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পৌর প্রকৌশলীরা প্রাক্কলন তৈরী করেন, দরপত্র আহ্বান করেন, দরপত্র কমিটির সভাপতি হয়ে তা মূল্যায়ন করেন, কাজ দেখাশুনা ও বাস্তবায়ন করেন, পরিমাপ গ্রহণ ও বিল অনুমোদনে মুখ্য দায়িত্ব পালন করেন। শুধু বাকী থাকে বিল পরিশোধ নিজের হাতে করার কাজটি। এ মহেন্দ্রযোগের জন্যেই তাদের সকল প্রতীক্ষা ও প্রচেষ্টা। গত সরকারের আমলে পরিকল্পিতভাবে অনেক দূরই তারা এগিয়ে এসেছেন।

বিগত ১৯৯২ সনে পৌরসভার চাকুরী বিধিমালার তফ্সিলে তাদের পদবিন্যাস, বেতনক্রম ও পদোন্নতির সুযোগ অপর সকল বিভাগ অপেক্ষা অতি উচ্চে ও সহজলভ্য রূপে অবারিত করতে সক্ষম হন। ১৯৯৪ সনে উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদকে তৃতীয় শ্রেণী হতে দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তার পদে উন্নীত এবং দ্রত পদোন্নতি লাভের মাধ্যমে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পর্যন্ত পদোন্নতি লাভের সুযোগ সৃষ্টি ও সুবিধাদি অর্জন করেন। অথচ সরকারের অন্যান্য বিভাগের প্রকৌশলীদের সমমানের বা তারচে বেশী চাকুরীগত সুযোগ সুবিধা লাভ করলেও এদের কাজের অধিক্ষেত্র ও পেশাদারীত্বের মান অন্যান্য বিভাগের প্রকৌশলীদের ন্যায় ব্যাপক পরিসরের ও প্রমিত মানের নয়।

বিগত ১৯৯২ সালের চাকুরী বিধিমালার তফসিলে সচিব পদ অপেক্ষা প্রকৌশলীদের বেতনক্রম উর্ব্ধে রাখা হয়েছে।

ঐ সময় প্রণীত পৌরসভার চাকুরী কাঠামোতে অধিশাখা বা অনুবিভাগের পরিবর্তে তিনটি বিভাগ (প্রকৌশল, প্রশাসন ও স্বাস্হ্য) দেখিয়ে সচিব পদকে প্রশাসন বিভাগের প্রধান দেখানো হয়েছে। আর সচিব পদের বেতনক্রম কথিত সকল বিভাগ অপেক্ষা নিম্নে রাখা হয়েছে। অথচ পৌরসভা নিজেই একটি বিভাগ তুল্য; যেখানে আলাদা কর্মবিভাগ থাকতে পারেনা। অনু-বিভাগ বা অধিশাখা থাকতে পারে।

বিগত ১৯৯৪ সনে শাখা প্রধান উপ-সহকারী প্রকৌশলীর পদমর্যাদা ও বেতনক্রম দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত করা হলেও কথিত বিভাগীয় প্রধান সচিব পদের বেতনক্রম ও পদমর্যাদা তদানুযায়ী উন্নীত করে সামজ্ঞস্যপূর্ণ না করায় চাকুরীক্ষেত্রে নিদারুন অস্বাভাবিক ও বিশৃংখলার সৃষ্টি হয়। এ ব্যাপারে চাকুরী বিধিমালায় সুস্পষ্ট বিধান থাকা সত্ত্বেও কুচক্রীদের ষড়যন্ত্রে পৌর সচিবগনের আবেদন নিবেদন অগ্রাহ্য করা হয়।

গভীর ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের অংশ হিসেবে পৌর সচিবদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি বৃহৎ চৌকষ ব্যাচের পদোন্নতি প্রাপ্য সময়ের পরও প্রায় ০৬ বছর আটকে রাখা হয়। অপরদিকে দেশের বড় বড় ও গুরুত্বপূর্ণ পৌরসভাগুলোতে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত, প্রশিক্ষণবিহীন, অনভিজ্ঞ ও অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রকৃতির সচিবগণকে নিয়োজিত করে সচিব পদের ভাবমূর্তি ধ্বংস করার প্রয়াস বরাবরই চালানো হয়।

পৌরসচিবগণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ বন্ধ রেখে প্রকৌশলীদের দেশে বিদেশে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবসহা করা হয়-যা বিগত ৫/৭ বছরের পরিসংখ্যান যাঁচাই করলেই পরিস্কার ধারনা পাওয়া যাবে।

সচিব পদের অধস্তন হিসাব শাখার প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার বেতনস্কেল ২০০২ সনে উন্নীত করে ১ম শ্রেণীর করায় তা কথিত বিভাগীয় প্রধান সচিব পদের সমমানের হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে সচিবগণের দাবী ও বিধি মোতাবেক বেতন-স্কেলের সৃষ্ট অসামজ্ঞস্যতা দূরীকরন না করে বরং হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তাদের দ্রুত সিলেকশন গ্রেড প্রদান করে অনেক ক্ষেত্রে নব-নিযুক্ত বিভাগীয় প্রধান সচিব অপেক্ষা তাদের বেতন উর্দ্ধে রাখার ব্যবসহা করা হয়।

অনুরূপভাবে শাখায় কর্মরত উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের পদমর্যাদা উন্নীত করায় এবং পরবর্তীতে দ্রুত পদোন্নতি প্রদানের মাধ্যমে তারা বিভাগীয় প্রধান সচিব অপেক্ষা সর্বদাই উচ্চতর বেতনভোগী হচ্ছেন। আর এসব চক্রান্তে অবনমিত, অবদমিত ও অপমানিত হচ্ছেন পৌর সচিবগণ।

গত ২০০৫ সালের প্রণীত পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবন্টন নীতিমালায় শাখা প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তাকে বিভাগীয় প্রধান সচিব পদের পদমর্যাদা অপেক্ষা জ্যেষ্ঠ বলে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। ষড়যন্ত্রের এরূপ অভাবনীয় ও অসম্ভব যোগ সত্যিই বিস্ময়কর। শিক্ষিত সভ্য সমাজে এটা কল্পনা করাও অসম্ভব।

সহানীয় সরকার বিভাগের ১৯৯০ সনের জারীকৃত এক অফিস আদেশে উল্লেখ ছিল যে, যেসব পৌরসভায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকবেন না সেসব পৌরসভার বিভাগীয় প্রধানগণ সচিবের মাধ্যমে সকল নথিপত্র ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের যাবতীয় বিষয় চেয়ারম্যানের নিকট উপসহাপন করবেন। কিন্তু স্মারক বিহীন উক্ত কর্ম-বন্টন নীতিমালার পুস্তিকায় মুখবন্ধে একটি লাইন এভাবে এঁটে দেয়া হয়, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদায়িত না থাকলে বিভাগীয় প্রধানগণ সরাসরি চেয়ারম্যানের নিকট নথি পেশ করবেন। জানা যায়, এলজিইডির যোগসাজসে প্রস্তুতকৃত এ নীতিমালাটি পৌরসচিব পদকে অকার্যকর করার ষড়যন্ত্রেরই একটি অংশ মাত্র।

গত ২০০৪ সনে প্রণীত জেলা ও উপজেলা শহর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের সারপত্র এবং এলজিইডি কর্তৃক ২০০৫ সনে জারীকৃত উক্ত প্রকল্পের পূর্তকাজ বাস্তবায়ন নির্দেশিকা দৃষ্টে প্রতীয়মান হয় যে, অভিনব সুকৌশলে পৌর প্রকৌশলীরা পৌরসভা অধিক্ষেত্রে তহবিল পরিচালনার দায়িত্বও হাতিয়ে নিতে সমর্থ হন। প্রকল্পটি সমপূর্ণ জিওবি’র অর্থে বাস্তবায়িত। এ প্রকল্পের নামে আলাদা ষ্টাফ সেট-আপ দেখিয়ে তাতে পৌর প্রকৌশলীরা প্রকল্প ব্যবসহাপক পদের নাম ব্যবহার করে কাজের বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে চেক স্বাক্ষর করতে পারছেন। এ ষ্টাফ সেট-আপে রয়েছে হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তাগণ -যারা বিল প্রস্তুত করেন। অথচ প্রকল্পের নামে মেকী এ ষ্টাফ সেট-আপের সকল কর্মকর্তা কর্মচারী পৌরসভার নিয়মিত ষ্টাফ এবং তাদের বেতন-ভাতা, লজিষ্টিক সাপোর্ট, মনোহারী দ্রব্যাদি ব্যবহার ইত্যাদি সবকিছুই পৌর তহবিল হতে নির্বাহের ব্যবসহা রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র প্রকল্পের লেবেল এঁটে প্রকল্প ব্যবসহাপকের মোড়কে সরকারী অনুদানের অর্থব্যয়ের আর্থিক ক্ষমতা পৌর প্রকৌশলীদের করায়ত্ত্ব করানো হয়েছে- যা সমপূর্ণরূপে পৌরসভা কার্য বিধিমালার পরিপন্থী। প্রকারান্তরে তা পৌর সচিবগণের আর্থিক ক্ষমতা কেড়ে নোয়ার প্রাক্-মহড়া মাত্র।

পৌর সচিবগণের বদলী ও পদায়নের ক্ষেত্রে শ্রেণীভেদ রক্ষা না করার বিষয়টিও বর্ণিত ষড়যন্ত্রের একটি অংশ। তাতে পৌর প্রশাসনে নানা জটিলতার উদ্ভব হয়।

অপরদিকে কোন পৌরসভায় সচিব পদ শুন্য থাকলে উক্ত পদে পার্শ্ববর্তী কোন কর্মস্হলের সচিবকে দায়িত্ব না দিয়ে প্রকৌশলীদের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব প্রদান করা হচ্ছে। পরবর্তীতে এ পদে কোন সচিব বদলী হয়ে এলে তার যোগদানপত্র গ্রহণ না করে প্রকৌশলীর দ্বারাই ঐ পৌরসভার সচিব পদের কাজ চালানোর উল্লেখযোগ্য নজির রয়েছে। এ অস্বাভাবিক পরিসহিতি উদ্বেগজনক।

বিভিন্ন সময়ে সহানীয় সরকার বিভাগ হতে জারী করা পত্রে এবং এমনকি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সচিব পদের অবসহান শাখা প্রধানদেরও নিম্নে সংসহাপিত হয়েছে। এরূপ একটি পত্রের বিকৃত উপসহাপনার বিষয়ে সহানীয় সরকার বিভাগের সচিব-এঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করার মাধ্যমে তা সংশোধনও করানো হয়েছে।

বর্ণিত উপায়ে পৌরসভার চাকুরীতে সচিব পদের মর্যাদা আইনানুগভাবে সুরক্ষা না করে এক গভীর চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের কবলে নিপতিত করায় এবং তা এযাবৎ প্রশ্রয় পাওয়ায় পৌর প্রশাসনে একটি কায়েমী স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর আবির্ভাব হয়েছে। তারা প্রকৌশলীর কাজের গন্ডি পেড়িয়ে এবার প্রশাসনিক ক্ষমতা দখল করতে চান। এর উদ্দেশ্য সকলেই বোঝেন।

বিগত সরকারের আমলে তারা দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির আহ্ব্বায়ক হন-যা অতীতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অথবা পরিষদ সদস্যদের দায়িত্ব ছিল। উচ্চতর বেতনস্কেল হাতিয়ে নিয়ে এবং সচিব পদকে অবনমিত করে তারা জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার দাবীদার বনেছেন-যার নজির সরকারের কোন প্রশাসনিক একাংশেই বিদ্যমান নেই।

গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে প্রণীত সহানীয় সরকার (পৌরসভা) অধ্যাদেশ, ২০০৮ হতে তারা সচিব পদের আইনগত অবসহান মুছে দিতে সক্ষম হন। এখন চাচ্ছেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার ক্ষমতা।

পৌরসভা গুলোতে বড় আকারের দূর্ণীতি ও অবৈধ অর্থোপার্জনের একমাত্র খাত হলো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন। যার দ্বারা লাভবান প্রকৌশলী, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা, কতিপয় দূর্ণীতি পরায়ন জন-প্রতিনিধি ও এলজিইডি’র সমন্বয়ে সৃষ্ট কায়েমী স্বার্থান্বেষী চক্র পৌর সচিব পদকে বিলুপ্ত বা অকার্যকর করে দিতে চাচ্ছে। এদের প্রভাবের মাধ্যমেই বিকৃত বিধি-বিধান ও নির্দেশাবলী গুলো জারী হয়েছিল।

বর্তমান গনতান্ত্রিক সরকার বিগত আমলের এসব দুষ্টক্ষত চিহ্নিত করে দূর্ণীতিবাজ ও স্বার্থান্বেষীদের দুষ্টচক্র ভেংগে দিয়ে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে স্বচ্ছ ও দূর্নীতিমুক্ত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করবেন- এটাই আপামর জনগণের প্রত্যাশা।

_______________________________________

Advertisements

Comments on: "পৌরপ্রশাসনে এত ষড়যন্ত্র!" (1)

  1. পৌরসভা জনবল কাঠামো ও চাকরি বিধিমালা প্রণয়নে প্রকৌশলী ও হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিঃ
    =================================================================

    স্হানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ প্রবর্তনের পর দীর্ঘ পরিক্রমায় আইন অনুসারে যে মূহুর্তে সরকারের স্হানীয় সরকার বিভাগ পৌরসভা জনবল কাঠামো ও চাকরি বিধিমালা প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত করে নথি উপস্হাপন করলো, ঠিক তখন পৌরসভার চিহ্নিত স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী উক্ত কাজে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যাশ্রয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির কাজে নেমে পড়লো। তারা মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে এমনকি জাল সই করে গত ১১/৩/২০১৩ খ্রিঃ তারিখে স্হানীয় সরকার বিভাগে একটি আবেদনপত্র দাখিল করে। নানা অপতৎপরতা ও চেষ্টা তদবির চালিয়ে কাজটি থামিয়ে দিতে প্রচেষ্টা চালায়। এ নিয়ে পৌরসভা সার্ভিস সেক্টরে প্রচন্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশ পৌরসভা সচিব এসোসিয়েশন, মেডিকেল অফিসার/নগর পরিকল্পনাবিদ/বস্তি উন্নয়ণ কর্মকর্তা/বিদ্যুৎ প্রকৌশলী/যান্ত্রিক প্রকৌশলী/পানি ও পয়ঃ প্রকৌশলী/এসেসর/কর আদায়কারী/প্রশাসনিক কর্মকর্তা/কার্য সহকারী সহ অবশিষ্ট সকল শ্রেনীর কর্মকর্তা কর্মচারী সংগঠন সমূহের নেতৃবৃন্দ গত ০৫/৩/২০১৩ খ্রিঃ তারিখে এক মত বিণিময় সভায় মিলিত হয়ে কুচক্রীদের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে রুখে দাড়াঁনোর বিষয়ে একমত হন। এ বিষয়ে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে নিম্নোক্ত কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছেঃ-
    ক) পৌরসভা সার্ভিসের সকল শ্রেনী পেশার সংগঠণের নেতৃবৃন্দের যৌথ স্বাক্ষরে কুচক্রীদের মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক চক্রান্তের বিরুদ্ধে স্হানীয় সরকার বিভাগে আবেদন পত্র দাখিল করতঃ দ্রুততম সময়ে চাকরি বিধিমালা প্রণয়নের অনুরোধ জানানো।
    নমূণা লিঙ্কঃ (application) https://www.box.net/shared/z2hiz9guxp4swaafy9u0
    খ) প্রত্যেক পৌরসভা হতে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের যৌথ স্বাক্ষরে দ্রুততম সময়ে চাকরি বিধিমালা প্রণয়নের অনুরোধ জানিয়ে আলাদা আবেদন পত্র স্হানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণ।
    নমূণা লিঙ্কঃ (application2) https://www.box.net/shared/2nc1opi5kjgpf342yu65
    গ) উক্ত আবেদন পত্র মেয়রের মাধ্যমে তাঁর সুপারিশসহ আলাদা ফরোয়ার্ডিং এর মাধ্যমে স্হানীয় সরকার বিভাগে প্রেরণ।
    নমূণা লিঙ্কঃ (forwarding) https://www.box.net/shared/048mig6vi3289a997tqy

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: