স্থানীয় সরকারের পৌর প্রশাসনকে শক্তিশালী ও গতিশীল করার জন্য চেতণার উন্মেষ ঘটানোর প্রচেষ্টা

আপনার মন্তব্য ও ভোট


আপনার ভাবনাগুলো প্রকাশ করুন, একাকি বসে নিয়মিত লিখুন

আপনার একটি শব্দ মানব সভ্যতায় যোগ করে দিতে পারে মহামূল্যবান অনেক কিছুই। আপনি নিজেকে যা ভাবেন বা ভাবতে পারেন, তারচে অনেক বড় আপনি।

[বাংলায় লেখা পাঠানোর ক্ষেত্রেওয়েবপেজে বাংলা সমস্যা?-পাতাটি দেখে নিন ]

 আপনার এ পাতায় পৌরসভার চাকুরী বা সেবা সংক্রান্ত গুরূত্বপূর্ণ তথ্য, মতাম্‌ত, প্রস্তাবনা ইত্যাদি এবং অন্যকোন গুরূত্বপূর্ণ জাতীয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সৃজনশীল চিন্তা ভাবনা বা মানবিক ইস্যূ সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত লেখা পোস্ট করতে পারেন। এজন্যে প্রথমেই আপনাকে এ ব্লগে নিবন্ধণ করতে হবে। আপনি ইচ্ছে করলে সম্পাদকের ঠিকানায় সরাসরি ইমেইল করে লেখা পাঠাতে পারেন। লেখার মান ভালো হলে তা  নির্দিষ্ট  পাতায় বা প্রয়োজনে নতুন বিভাগে প্রকাশ করা হবে। সম্পাদকের ইমেইল ঠিকানাঃmsapanir@gmail.com

নীচের ভোটবাক্সে আপনার মূল্যবান ভোটটি  দয়া করে দিতে ভুলবেন না আশা করিঃ

-আপনার চেতণা উৎসারিত-

Comments on: "আপনার মন্তব্য ও ভোট" (4)

  1. পৌর প্রশাসনকে দূর্বল করে রাখার কতো কুপ্রচেষ্টাই না বহাল রেখেছে স্হানীয় সরকার বিভাগের আমলারাঃ

    (ক) পৌর প্রশাসনের আইন দ্বারা নির্ধারিত প্রধান কর্মকর্তা পদ পৌরসভা সার্ভিসের সচিব হবেন-এটা আইন মানলেও স্হানীয় সরকার বিভাগের আমলারা মানতে পারছে না।
    (খ) পৌর প্রশাসনকে দূর্বল করে রাখার ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র হিসেবেই আমলারা সচিব পদের মর্যাদা ও বেতনক্রম পৌরসভার অন্যান্য বিভাগীয় কর্মকর্তাদের চেয়ে নিম্নে বহাল রাখছে। তা যৌক্তিকীকরণের সরকারী নির্দেশণাও স্হানীয় সরকার বিভাগের আমলারা মানছে না।
    (গ) পৌরসভার প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্হাপনায় চেইন অব কমান্ড ভেঙ্গে দেয়ার ফন্দি হিসেবে পৌরসভার অন্য কর্মকর্তাদের অধিক বেতনক্রম দিয়ে তার ভিত্তিতে বেআইনীভাবে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার লেবেল এঁটে দেয়া হচ্ছে।
    (ঘ) পৌর সচিব নিয়োগের সময় অত্যন্ত সুকৌশলে অপেক্ষাকৃত কম মেধাসম্পন্ন ও দূর্বল সামর্থ্যবানদের নির্বাচন করা হচ্ছে।
    (ঙ) নিয়োগকৃত পৌর সচিবগণকে যথাযথ বুণিয়াদি প্রশিক্ষন এবং আবশ্যকীয় অন্যান্য প্রশিক্ষন দেয়া হচ্ছে না।
    (চ) পদায়ণের ক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত অদক্ষ সচিবদের গুরুত্বপূর্ণ ও শীর্ষস্হানীয় পৌরসভার নিয়োগের মাধ্যমে সচিবগণকে অদক্ষ ও হেয়কর প্রতিপন্ন করার অবিরাম প্রকৃয়া চালু রাখা হয়েছে।
    (ছ) পৌর সচিবদের পদোন্নতি ও অন্যান্য চাকুরীগত সুযোগ সুবিধা উদ্দেশ্যমূলকভাবে আটকে রেখে পৌরসভার অপরাপর কর্মকর্তাদের, বিশেষ করে প্রকৌশলী ও হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠ অবস্হানে উঠিয়ে আনার অবিরাম ষড়যন্ত্র চালানো হয়েছে।
    (ছ) নতুন স্হানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ দ্বারা সচিব পদের মর্যাদা কিছুটা পূণরুদ্ধার হলেও স্হানীয় সরকার বিভাগের আমলারা উহার অধীনে প্রণীতব্য সংশ্লিষ্ট বিধিমালা সমূহ, বিশেষ করে চাকুরীবিধি ও কার্যবিধি দীর্ঘ প্রায় দুবছর ধরে আটকে রেখে সচিবদের পূর্বাবস্হা বহাল রেখে চলেছে। পৌর প্রশাসন নতুন আইনের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
    (জ) সম্পূর্ণ আলাদা পৌরসভা সার্ভিসে প্রশাসন ক্যাডার সদস্যদের প্রেষণে নিয়োগের ব্যবস্হা বহাল রেখে পৌর সচিব পদকে অকার্যকর করার প্রকাশ্য এ ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতা দেশের পৌরপ্রশাসন তথা জনস্বার্থ বিরোধী কাজ।
    (ঝ) পৌরসভা সার্ভিসে যদি প্রশাসন ক্যাডার সার্ভিস সদস্যদের নিয়োগ বাস্তবিকই প্রয়োজনীয় হয়ে থাকে-তাহলে পৌর সচিব পদটিকেই ক্যাডার সার্ভিসভূক্ত করে পিএসসি’র মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্হা করা হচ্ছে না কেন?
    (ঞ) স্হানীয় সরকারের রুরাল সেট-আপের জেলা ও উপজেলা স্তরে এতো ক্যাডার সার্ভিস রয়েছে; অথচ দেশের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অধিক্ষেত্র জেলা ও উপজেলা স্তরেরই নগর প্রশাসনে কর্মরত কর্মকর্তাদের ক্যাডার থাকবেনা কেন? এক্ষেত্রে সুশাসের জন্য আরবান সেট-আপের প্রশাসনিক সংস্কার জরুরী নয় কি?

    আসুন সবাই মিলে বিষয়গুলো নিয়ে ভাবি এবং সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বঞ্চণার অবসান ঘটাই। মুক্তির জন্য দেশ ও জাতির কল্যাণে কায়েমী স্বার্থবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যেতেই হবে।

  2. মোঃ সামসুল আলম said:

    আসুন সবাই মিলে বিষয়গুলো নিয়ে ভাবি এবং সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বঞ্চণার অবসান ঘটাই। মুক্তির জন্য দেশ ও জাতির কল্যাণে কায়েমী স্বার্থবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালিয়ে যেতেই হবে।

  3. চার্টার্ড সেক্রেটারীজ এ্যাক্ট, ২০১০ প্রণীত হলো। তাতে সেক্রেটারী পদের আইনী অবস্হান আমরা দেখতে পাই-

    সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন ১। (১) এই আইন চার্টার্ড সেক্রেটারীজ আইন, ২০১০ নামে অভিহিত হইবে ।

    (২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।
    ………………………………
    সচিব এবং অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী
    ………………………………
    ২৩। (১) কাউন্সিল, ইনস্টিটিউটের কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে, একজন সচিবসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে এবং উক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের চাকুরীর শর্তাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।
    (২) সচিব ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হইবেন এবং তিনি, কাউন্সিলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে, ইনস্টিটিউটের প্রশাসন পরিচালনার জন্য দায়ী থাকিবেন।
    ………………………………
    কিন্তু পৌরসভার জনবল কাঠামোয় সরকারের আমলাগণ কেন তাদের কায়েমী স্বার্থ আজো ধরে রাখার জন্য মরিয়া হয়ে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদটি আলাদা করে তাদের জন্য সংরক্ষিত রাখতে চেষ্টা করছেন?
    একই দেশে এতো ভিন্ন ধারা সৃষ্টি করে আইনের সরল প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্যকে কতোদিন তারা বিকৃত করে রাখবেন?
    এসব প্রতিরোধ ও সংশোধনের জন্য সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।

  4. ________________________________________
    জ্ঞানভিত্তিক সমাজ, এনালগ অতীত-ডিজিটাল ভবিষ্যত :
    ________________________________________

    উন্নত দুনিয়ায় যে শিল্পবিপ্লব সংঘটিত হয় তার সবচেয়ে বড় উপকরণটি হলো চাকা-গিয়ার। বাষ্পচালিত ইঞ্জিন থেকে শুরু করে নানা ধরনের জ্বালানি দিয়ে পরিচালিত এসব যন্ত্রপাতি এনালগ পদ্ধতিতে কাজ করতো। কিন্তু দিনে দিনে সেইসব যন্ত্রপাতি এনালগত্ব বিদায় করে ডিজিটাল হচ্ছে। চাকা গিয়ারের জায়গা নিচ্ছে মাই্ক্রোপ্রসেসর। একতরফা কেবলমাত্র হার্ডওয়্যারের জায়গায় এখন যন্ত্রগুলো হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বিত রূপ। ফলে এনালগ পদ্ধতিটি হয়ে গেছে আমাদের অতীত। আমাদের ভবিষ্যতটা হলো ডিজিটাল। এই ডিজিটাল দুনিয়ার গন্তব্যটি হলো জ্ঞানভিত্তিক সমাজ।
    ________________________________________

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: